1. admin@bd-journalist.com : বিডি জার্নালিস্ট : বিডি জার্নালিস্ট
  2. miraj20@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. commercial.rased@gmail.com : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. newuser@mail.com : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই ২০২১, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
ডেঙ্গু রোগির নতুন রেকর্ড রাজধানীতে ১৪ দিন কারখানা বন্ধ নিয়ে চিন্তিত চট্টগ্রাম বন্দর ঈদের পরের লকডাউনে গার্মেন্টস ও শিল্পকারখানার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিল সরকার অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ায় ব্যবসায়ীরা আমদানি বাড়িয়েছেন ভারত থেকে জেনে নিন মহামারিতে কোন বয়সের কতো জনের মৃত্যু হয়েছে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে নতুন নিয়মে করোনা টিকা কার্যক্রমে সেবা দিচ্ছে টুঙ্গিপাড়া রোভার স্কাউট স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাগ্নের দুর্নীতি : হাসাপাতালের বাথরুমের ১টি লাইটের দাম ৩ হাজার ৮৪৩ টাকা! বিশ্বনাথে ভূঁয়া সাংবাদিক প্রতারক বরসহ জনতার হাতে আটক:মুচলেকা দিয়ে মুক্তি এবার ঈদের নামাজে থাকছে কিছু বিধিনিষেধ

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিধন্য সমাধি

বিডি জার্নালিস্ট ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০

যথার্থ বাঙালি, যদি তুমি হও ক্ষণিক দাঁড়িয়ে যাও, এই সমাধিস্থলে…’ এটি কবি সৈয়দ ফখরুদ্দিন মাহমুদের ৩৩ লাইনের কবিতা ‘একটি অমর সমাধি’র প্রথম দুই লাইন। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের এক নম্বর গেট দিয়ে ঢুকতেই চোখে পড়বে পাথরে খোদাই করা ‘একটি অমর সমাধি’ কবিতাটি। প্রশস্ত পথের দুই পাশে রয়েছে ফুলের বাগান ও কৃত্রিম পাহাড়। এসবের মাঝেই পাঠাগার ও জাদুঘর। পথ ধরে আরও এগোলে বঙ্গবন্ধুর সমাধি।

গোপালগঞ্জ শহর থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলের দূরত্ব ১৯ কিলোমিটার। সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত এখানে হাজারো মানুষ ভিড় করেন শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুর সমাধি দেখার জন্য তার টুংগীপাড়া কে দেখার জন্য।

১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম হয় টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। তাকে সবাই খোকা বলে ডাকত। তার পিতা শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতা সায়েরা খাতুন।

কালের আবক্ষনে ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট জাতির পিতার সপরিবার বর্বর ঘাতকের হাতে নিহত হন। তার জানাযা করার জন্য হাতেগোনা কয়েকজন লোক নিয়ে তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে বঙ্গবন্ধুকে সমাহিত করা হয়। এই তিন কবর নিয়েই গড়ে উঠেছে গোলাকার গম্বুজবিশিষ্ট মূল সমাধিসৌধ। সমাধিসৌধের ওপরের দেয়ালে জাফরি কাটা। সব সময় আলোছায়ার মায়াবী খেলা সেখানে। ওপরে থাকা কারুকাজ করা কাচের ভেতর দিয়েও আলো ছড়িয়ে পড়ে সমাধিতে। চারদিকে কালো, মাঝখানে সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কবর বাঁধানো। ওপরের অংশ ফাঁকা।‌ এই কমপ্লেক্সে রয়েছে একটি পাঠাগার ও জাদুঘর। পাঠাগারে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বইসহ প্রায় ছয় হাজার বই রয়েছে। রয়েছে গবেষণাকেন্দ্র, প্রদর্শনী কেন্দ্র, উন্মুক্ত মঞ্চ, পাবলিক প্লাজা, প্রশাসনিক ভবন, ক্যাফেটেরিয়া, বকুলতলা চত্বর ও স্যুভেনির কর্নার।

প্রদর্শনী কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনের নানা পর্যায়ের আলোচিত্র ছাড়াও রয়েছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিভিন্ন শিল্পীর আঁকা শিল্পকর্ম। এ ছাড়া মুক্তিসংগ্রামের নানা পর্যায়ের দেশ ও বিদেশ থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদপত্র। বঙ্গবন্ধুকে যে কফিনে করে ঢাকা থেকে সামরিক হেলিকপ্টারে করে নিয়ে আসা হয়েছিল, সেটিও সংরক্ষণ করা হয়েছে সযত্নে। দর্শনার্থীরা এখানে এসে আবেগে আপ্লুত হন। শ্রদ্ধা জানান বঙ্গবন্ধুকে। সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স শুধু নয়, এর আশপাশের এলাকায় আরও অনেক কিছুই দেখার রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদি পৈতৃক বাড়ি, ছেলেবেলার খেলার মাঠ, বঙ্গবন্ধুর প্রিয় বালিশা আমগাছ, শেখ বাড়ি জামে মসজিদ ইত্যাদি। আছে হিজলতলা ঘাট, যেখানে বঙ্গবন্ধু ছোটবেলায় গোসল করতেন। দেখা মিলবে শেখ পরিবারের ঐতিহ্যবাহী একটি বড় ও একটি ছোট আকারের পুকুরের।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021 bd-journalist.com
Theme Customized By newspadma.Com