1. admin@bd-journalist.com : বিডি জার্নালিস্ট : বিডি জার্নালিস্ট
  2. miraj20@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. commercial.rased@gmail.com : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. Bangladeshkonthosor@gmail.com : অনলাইন ডেক্স : অনলাইন ডেক্স
  5. newuser@mail.com : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পালিয়ে যায় হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নোয়াখালীতে চিকিৎসা না দেওয়ায় রোগির মৃত্যুর অভিযোগ ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো ওমান রামপালের খাঁনজাহান আলী বিমান বন্দরের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন র্দীঘ ৫০ বছরের সফলতার গল্প শোনালেন রুহুল আমিন গাজীপুরের টঙ্গীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই জন ডাকাত গ্রেফতার শেষ হলো পদ্মা সেতুর রোডওয়ে স্লাব বসানোর কাজ বরিশালের ইউএনও ওসি সহ ১১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা,খতিয়ে দেখবে পিবিআই ফজলুল হক বাবুর জন্মদিনে জানালো ১৫ বছর আগের কঠিন সিদ্ধান্তের কথা টঙ্গীতে শোক দিবস উপলক্ষে আলােচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চার দিন পরে মধুমতি নদীতে নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

গ্রামগঞ্জ থেকে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখি ও তার দৃষ্টিনন্দন বাসা

বিডি জার্নালিস্ট ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১

“বাবুই পাখিরে ডাকি বলিছে চড়াই, কুঁড়েঘরে থেকে কর শিল্পের বড়াই। আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকার পরে, তুমি কত কষ্ট পাও রোদ বৃষ্টি ঝড়ে…।”

কবি রজনীকান্ত সেনের স্বাধীনতার সুখ ছড়াটির নায়ক গ্রামবাংলার এই নিপুণ বাসা তৈরির কারিগর বাবুই পাখি আজ বিলুপ্তির পথে। সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার এলাকা ঘুরে দেখা মিলছে না চিরচেনা সেই বাবুই পাখির বাসা। এইতো এক দশক আগেও গ্রাম-বাংলার পথে-প্রান্তরে প্রকৃতির বয়ন শিল্পী বাবুই পাখি ও তার বাসা দেখা যেত। কিন্তু সভ্যতার পরিবর্তন,আর অপরিকল্পিত গাছ কাটায় পাখির বাসস্থান ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় প্রকৃতির নিখুঁত স্থপতি, বাবুই পাখি ও তার বাসা আজ হারিয়ে যাচ্ছে।

এসময় গ্রামগঞ্জে তালগাছ, সুপারিগাছ, খেজুরগাছ ও নারিকেল গাছ বেশি দেখা যেত আর এই সব গাছে বাবুই পাখি বসবাস করত,সেইসব গাছে খড়ের ফালি, ধানের পাতা, তালের কচিপাতা, ঝাউ ও কাশবনের লতাপাতা দিয়ে শৈল্পিক বাসা তৈরি করত যা প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও গাছ থেকে কখনও ছিঁড়ে পড়তনা। সে বাসা যেমন দৃষ্টিনন্দন, তেমনি মজবুত। বাবুই পাখি একটি বাসা তৈরিতে ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগে। যা দেখে যে কারও কাছে চিন্তার খোরাক হত।ভাবতে ভাবতেই ভাবনায় সময় পুড়িয়ে যেত। বাবুই পাখি দল বেঁধে বসবাস সহ বাসা তৈরি করে।
এছাড়াও এরা দল বেঁধে কিচিরমিচির শব্দ করে ডাকাডাকি করে। তবে এদের মধ্যে পুরুষ বাবুই পাখি বেশ উজ্জ্বল তাতেই বুঝা যায় ওটা পুরুষ পাখি।
স্ত্রী বাবুই পাখি ডিম দেয়ার সাথে সাথেই পুরুষ বাবুই খুঁজতে থাকে। প্রজনন প্রক্রিয়ায় স্ত্রী বাবুই ডিমে তাপ দেয়ার মধ্যেই বাচ্চা ফোটে। বাচ্চা ফোটার কিছু দিন পর বাবুই বাচ্চা বাসা ছেড়ে উড়ে যায়। বাবুই পাখির প্রজনন সময় হলো ধান ঘরে উঠার মৌসুম।
বর্তমান সময়ে গ্রামগঞ্জ থেকে দিন দিন বাবুই পাখি ও তার বাসা বিলুপ্তির পথে। এ কারণ হিসেবে বলাই চলে,পরিবেশ বিপর্যয় ও অসচেতনতার,ঝোপঝাড় উজাড় হওয়া, মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার ও বনভূমি কমে যাওয়ার ফলে বাবুই পাখির অস্তিত সংকটাপন্ন।

বিশিষ্ট সমাজ সেসব এবং পল্লী চিকিৎসক সবুজ মিয়া বলেন,মানুষের অসচেতনতায় এই শিল্পী পাখি বিলুপ্তির পথে। নতুন প্রজন্ম এই পাখি চেনেও না। সবার উচিত বাবুই পাখির বাসা যেন দুষ্ট ছেলেরা নষ্ট না করে তা লক্ষ্য রাখা এবং পাখির অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করা।

এডভোকেট সাইফুল ইসলাম চৌধুরী কামাল বলেন, একসময় সকালের ঘুম ভাঙ্গত পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনে আজকাল আগের মত এত পাখি নেই।
আর বাবুই পাখি তো বলতে গেলে দেখাই মিলেনা।
তিনি মনে করেন,হয়তো এক সময় আসবে বাবুই পাখি নামের একটি পাখি যে এত সুন্দর করে বাসা তৈরি করতে পারত তা আগামী প্রজন্মের বাচ্চারা কোন ভাবেই বুঝতে চাইবেনা। কারণ তারা তো বই পুস্তক পড়ে বাবুই পাখির নাম জানবে দেখতেতো পারবে না তাই।
তাই তিনি, বাবুই পাখি ও তার বাসা টিকিয়ে রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ প্রকৃতিপ্রেমী লোকজন এগিয়ে আসার আহবান করেছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021 bd-journalist.com
Theme Customized By newspadma.Com