1. admin@bd-journalist.com : বিডি জার্নালিস্ট : বিডি জার্নালিস্ট
  2. miraj20@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. commercial.rased@gmail.com : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. newuser@mail.com : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ১১:২২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বাগেরহাটে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত পরিবারের মাঝে এক মাসের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ যুক্তরাষ্ট্রকে দেখে নেয়ার হুমকি তালেবানের ডেঙ্গু রোগির নতুন রেকর্ড রাজধানীতে ১৪ দিন কারখানা বন্ধ নিয়ে চিন্তিত চট্টগ্রাম বন্দর ঈদের পরের লকডাউনে গার্মেন্টস ও শিল্পকারখানার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিল সরকার অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ায় ব্যবসায়ীরা আমদানি বাড়িয়েছেন ভারত থেকে জেনে নিন মহামারিতে কোন বয়সের কতো জনের মৃত্যু হয়েছে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে নতুন নিয়মে করোনা টিকা কার্যক্রমে সেবা দিচ্ছে টুঙ্গিপাড়া রোভার স্কাউট স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাগ্নের দুর্নীতি : হাসাপাতালের বাথরুমের ১টি লাইটের দাম ৩ হাজার ৮৪৩ টাকা!

লালমনিরহাটের মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই তালিকায় আ’লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও একমাত্র ক্ষেতাবপ্রাপ্ত বীর প্রতীকের নাম

বিডি জার্নালিস্ট ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২১

মহান স্বাধীনতার ৫০বছর পর জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)র মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই তালিকায় প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন এমপির নাম উঠায় জেলার সকল মুক্তিযোদ্ধা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি লালমনিরহাট আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, গণপরিষদের সদস্য ছাড়াও সংবিধানে স্বাক্ষরদাতাদের মধ্যেও অন্যতম একজন ছিলেন তিনি। অথচ যাচাই-বাছাই তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তালিকায় শুধু আবুল হোসেন এমপি নন, লালমনিরহাট জেলার একমাত্র বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অবঃ) আজিজুল হকের নামও এসেছে।

যথাক্রমে তালিকার ১৪০ ও ১৭৬ নম্বরে আছেন তাদের নাম। স্বীকৃত দুজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সনদ যাচাই-বাছাই করা নিয়ে পরিবারের সদস্য এবং লালমনিরহাট জেলার অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধারা হতাশার সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তালিকায় এভাবে নাম আসাটা তারা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না।

জামুকার সুপারিশ ছাড়া যাদের নাম মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ‘বেসামরিক গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তাদের নাম সংশোধন করে নতুন করে ৩৮ হাজার ৩শত ৮৬জন বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশ করা হয়। যদিও গত ৯ জানুয়ারি মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্থগিত করে জামুকা।

জামুকার তালিকায় দেখা গেছে, ভারতীয় তালিকা বা লাল মুক্তিবার্তায় নাম আছে, এমন অনেক মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে ওই যাচাই-বাছাইয়ের তালিকায়। এমনই দুজন হলেন লালমনিরহাট জেলার আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠিতা প্রয়াত আবুল হোসেন এমপি ও ক্যাপ্টেন (অবঃ) আজিজুল হক বীর প্রতীকের নাম।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সম্প্রতি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল তাঁদের পিএইচডি প্রোগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আবুল হোসেনের বীরত্বপূর্ণ অবদানের ওপর গবেষণা প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।

আবুল হোসেনের বড় ছেলে অ্যাড. গোলাম হায়দার শিশু বলেন, ‘বেরোবির অনুমোদনের ফলে মুক্তিযুদ্ধে বাবার অবদান নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গবেষণা করবে। অথচ বাবা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কি না তা আমাদের এখন প্রমাণ করতে হবে। সন্তান হিসেবে এর চেয়ে কষ্টের কিছু হতে পারে না।

অন্যদিকে প্রকৃততালিকায় নিজের নাম দেখে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই তালিকায় নিজের নাম দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ক্যাপ্টেন (অবঃ) আজিজুল হক বীর প্রতীক। তালিকায় নিজের নাম দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কোন দেশে আছি, ভাবতেই পারছি না! জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আমাকে আবারও প্রমাণ দিতে হবে আমি দেশের জন্য যুদ্ধ করেছি কিি না? আমি প্রকৃত মুুুুক্তিযোদ্ধা কি না? এটা দেখার আগে আমার মৃত্যু হলোো না কেন?

তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণে ইচ্ছুকদের রিক্রুটিং কর্মকর্তা হিসেবে জামুকার বর্তমান সদস্য মোতাহার হোসেন এমপিকে আমি নিয়োগ দিই। ভারতের কুচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ ক্যাম্পের রিক্রুটিং বোর্ডে আমি ছাড়াও সেদিন মেজর নওয়াজেশ আলী খান, ডাঃ এম এম খান উপস্থিত ছিলেন। যাচাই-বাছাই তালিকায় আমি থাকলে মোতাহার এমপির নামও থাকা উচিত।

লালমনিরহাট জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মেজবাহ উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আবুল হোসেনের প্রশিক্ষণে অনেক মুক্তিযোদ্ধা তৈরি হয়েছে, এখন তাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে জামুকা। তারা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার তালিকা না করে শ্রদ্ধেয় ও স্বীকৃতদের নিয়ে টানাটানি করছে, যা খুবই অপমানজনক।

লালমনিরহাট সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আবু বক্কর বলেন, ‘এখনো উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি হয়নি। কমিটিতে আমি থাকলে সদর উপজেলার ১শত ৯৩জনের মধ্যে ‘গ ক্যাটাগরির ৬৭জনকে ডাকবেন। শ্রদ্ধেয় ও স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ডাকা সমীচীন হবে না বলে মনে করেন তিনি।

মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির লালমনিরহাট সদর উপজেলার সদস্য সচিব ও লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় বলেন, ‘জামুকা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তালিকা পাঠিয়েছে। এতে শ্রদ্ধেয় ও স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধার নাম আসায় আমরা বিব্রত। আশা করছি বিষয়টা ‘জামুকা’ পুনরায় দেখে তালিকা সংশোধন করবেন।

এ বিষয়ে জামুকার সদস্য, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও লালমনিরহাট-০১ আসনের এমপি মোতাহার হোসেন বলেন, ‘আগামী ২৬ মার্চের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরিতে কাজ করছে জামুকা। যাদের কাগজপত্রের কমতি রয়েছে, তাদের সবাইকে আগামী ৩০ জানুয়ারি ডাকা হবে। বীর মক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আবুল হোসেন ও ক্যাপ্টেন (অবঃ) আজিজুল হক বীর প্রতীকের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যারা ভাতা পাচ্ছেন, তাদের সবাইকে ডাকা হবে। সেখানে কেউ তাদের মুক্তিযোদ্ধার কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে, স্বাভাবিকভাবে তিনি তো মুক্তিযোদ্ধা বলে বিবেচিত হবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021 bd-journalist.com
Theme Customized By newspadma.Com