1. admin@bd-journalist.com : বিডি জার্নালিস্ট : বিডি জার্নালিস্ট
  2. miraj20@gmail.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
  3. commercial.rased@gmail.com : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. newuser@mail.com : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :

গবেষণায় দেখা গেছে ২০ হাজার বছর আগেও ছিল করোনাভাইরাস

বার্তা ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১

দুই দশকের বেশি সময় ধরে করোনাভাইরাস সৃষ্ট বেশ কয়েকটি প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি হয়েছে মানুষ। এর মধ্যে রয়েছে সার্স, মার্স ও কোভিড-১৯। কিন্তু করোনাভাইরাসের ইতিহাস আরও পুরোনো হতে পারে বলে ধারণা করছেন গবেষকেরা।

নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, সহস্রাব্দ আগেও করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি হয়েছিল মানুষ।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক ২০ হাজার বছরেরও আগে করোনাভাইরাস মহামারি ছড়ানোর প্রমাণ পেয়েছেন। ওই মহামারি ঘটেছিল পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে।

গত বৃহস্পতিবার বিজ্ঞান সাময়িকী কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ।

গবেষণায় বিশ্বের ২৬টি জনগোষ্ঠীর ২ হাজার ৫০০ মানুষের জিনোম নিয়ে অধ্যয়ন করেন গবেষকেরা। তাঁরা মানব জিনোমে প্রথম করোনাভাইরাসের কার্যকলাপ বের করেন। পূর্ব এশিয়ার আধুনিক সময়ের মানুষের ডিএনএতে জিনগত ছাপ রয়ে গেছে।

গবেষণা নিবন্ধের প্রধান লেখক ইয়াসিন সুইলমি বলেছেন, তাঁরা যে জিনোম নিয়ে গবেষণা করেছেন, তাতে শত শত বছর আগের মানুষের বিবর্তনের তথ্য রয়েছে।

গবেষক সুইলমি আরও বলেন, ভাইরাস নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে কাজ চালিয়ে যায়। কিন্তু এই প্রতিলিপি তৈরি করতে তাদের নিজের কোনো টুল নেই। ভাইরাস তাই হোস্ট বা ধারকের ওপর নির্ভর করে। এ কারণেই তারা হোস্টকে আক্রমণ করে তার কার্যক্রম ছিনিয়ে নিতে নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে। ভাইরাসের মানবকোষ ছিনতাইয়ের বিষয়টি একটি ছাপ তৈরি করে, যা এখন গবেষকেরা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

গবেষক সুইলমি আরও বলেন, ‘আমাদের পূর্বপুরুষেরা একসময় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং এর অভিযোজন ঘটেছিল, তার সুদৃঢ় প্রমাণ পাওয়া গেছে।’
গবেষকেরা বলেন, জিনোম পরীক্ষায় তাঁরা দেখেছেন, করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত জিনগত সংকেত চীন, জাপান ও ভিয়েতনামের পাঁচটি ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এই মহামারি এর বাইরে আরও অনেক দেশে ছড়াতে পারে। সুইলমি বলেন, অন্য অঞ্চলের তথ্য সহজলভ্য না হওয়ায় তা জানা যায় না।

গবেষকেরা আরও দেখেছেন, আক্রান্ত জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে একটি দলের ক্ষেত্রে উপকারী মিউটেশন তৈরি হয়ে যায়, যা তাদের করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা দেয়।

গবেষক সুইলমি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে করোনা সংক্রমণ চলতে থাকায় এটি তাদের বংশধরের জিনোমে খুব স্পষ্টভাবে চিহ্নিত চিহ্ন রেখে যায়। ওই চিহ্ন ধরেই গবেষকেরা করোনা মহামারি বিষয়টি শনাক্ত করতে পেরেছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাচীন ওই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বিভিন্ন অঞ্চলে পৃথকভাবে ছড়িয়েছিল এবং পরে তা মহামারি আকারে পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে যায়। তবে ওই মহামারির সময় মানুষ কীভাবে জীবন যাপন করত, তা জানতে পারেননি গবেষকেরা। কারণ, এটি তখন সাধারণ ফ্লুর মতো ছিল, নাকি এখনকার কোভিড-১৯-এর মতো ছিল, তা জানা যায়নি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021 bd-journalist.com
Theme Customized By newspadma.Com